যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের’ তালিকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিয়ার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সোমবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (OFAC) নিষেধাজ্ঞা বিধিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে এ তথ্য জানায়। এর মাধ্যমে দামেস্কের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করার আগের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হলো।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, কংগ্রেসের পর্যালোচনাসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া কোনো আপত্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর সিরিয়াকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ার বাজারে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রবাহে থাকা সর্বশেষ বড় বাধা ও বিধিনিষেধ দূর হবে। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সিরীয় সরকারের ইতিবাচক ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতিও এ সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে দেশকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখার প্রতিশ্রুতির বিষয়টিও এতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও OFAC-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে সিরিয়া আর যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাস-সংশ্লিষ্ট সরকারি নিষেধাজ্ঞা বিধিমালার আওতায় থাকবে না। একই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে জাবহাত আল-নুসরা, যা হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) নামেও পরিচিত, সেটির ‘বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ মর্যাদাও প্রত্যাহার করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। পাশাপাশি OFAC তার ‘স্পেশালি ডিজিগনেটেড ন্যাশনালস অ্যান্ড ব্লকড পারসনস’ তালিকা থেকেও HTS-এর নাম সরিয়েছে।