মা লাগেজ নিয়ে নামলেন, কিন্তু প্রচণ্ড ভিড়ে ৪ বছরের মেয়েকে নামাতে পারলেন না। শিশুকে নিয়েই ছেড়ে দিল ট্রেন। এক যাত্রীর ৯৯৯-এ ফোনে নরসিংদীতে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে মা ট্রেন থেকে নেমে গেলেও চার বছরের শিশু কন্যা রয়ে যায় কালনী এক্সপ্রেসে। এরই মধ্যে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে দিলে মা ও শিশু বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরে এক যাত্রীর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোনের পর নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রীর করুন পরিণতি
ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর)। শিশুটির মা সিলেটের কুলাউড়া থেকে কালনী এক্সপ্রেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন। ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে পৌঁছানোর পর তিনি লাগেজ নিয়ে নেমে যান। তবে প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে মেয়েকে সঙ্গে সঙ্গে নামাতে পারেননি। একপর্যায়ে শিশুটিকে ভেতরে রেখেই ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পরে ট্রেনে থাকা এক যাত্রী শিশুটিকে একা দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। তিনি ধারণা করেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে নেমে গেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ কন্ট্রোলরুমকে বিষয়টি জানানো হয়। কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মিতু এবং উদ্ধার কার্যক্রম তদারক ও সমন্বয় করেন ডিসপাচার এএসআই তরুণ কুমার আচার্য। খবর পেয়ে নরসিংদী রেলওয়ে থানার একটি দল প্রস্তুতি নেয়। কালনী এক্সপ্রেস নরসিংদী পৌঁছালে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা নরসিংদী রেলওয়ে থানায় পৌঁছালে শিশুটিকে নিরাপদে তাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।