1. admin@headlinenewsbd.com : Headline News BD :
লিবিয়ায় জিম্মি শ্রমিককে মারধরের ভিডিও দেখিয়ে দেশে ৫০ লাখ আদায়ের অভিযোগ - Headline News BD
টপ নিউজ :
সন্তান না হওয়ায় তালাক, পা ধরেও স্বামীর মন গলাতে পারেননি স্ত্রী স্ত্রী, মেয়ে, শ্যালিকা ও ভাগ্নিকে দিয়ে ভিডিও বানিয়ে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ ৬৩ বছর বয়সে প্রথম সন্তানের জন্ম দিলেন আজারবাইজানের নারী শূন্য হাতে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে কি ঘটেছিল গোবিন্দর সঙ্গে? শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গোপালগঞ্জে ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি খুলনা থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর শুভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পরীমণির বিরুদ্ধে ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে গিয়েছিলেন, ফিরেই কী ঘটল এসআইয়ের সঙ্গে? হঠাৎ কেন ইসরায়েলের অর্থসহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের? ‘সরি’ বলেও কাজ না হলে আর যা করতে পারেন আপনি

লিবিয়ায় জিম্মি শ্রমিককে মারধরের ভিডিও দেখিয়ে দেশে ৫০ লাখ আদায়ের অভিযোগ

এইচএনবি রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৫ সময়

লিবিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক ইদ্রিস আলীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জ।

পিবিআই জানায়, ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির আনজারা এলাকায় প্রবাসী ইদ্রিস আলীকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তম সরকার ওরফে সুমন, আসলাম, আরিফ মোল্লা, রাজু মিয়াসহ অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি তিনটি গাড়িতে করে ইদ্রিস আলীর ভাড়া বাসা ঘিরে ফেলেন।

ছয় বছরের শিশুর কান্নায় জানাজানি, দুই কিশোর গ্রেপ্তার

অভিযোগে বলা হয়, অপহরণকারীরা ইদ্রিস আলীর পাসপোর্ট, মোবাইল, টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নেয়। পরে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই দিন আটকে রাখার পর ইদ্রিস আলীকে মারধর করে সেই ভিডিও বাংলাদেশে থাকা তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে ইমোতে দেখানো হয়। তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। স্বামীর জীবন বাঁচাতে ফাতেমা বেগম আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে টাকা ধার করে শিপন মিয়ার নামীয় ইসলামী ব্যাংক হিসাবে ২০ লাখ টাকা পাঠান।

পরে আবারও ইদ্রিস আলীকে মারধর করে আরও ৩০ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় লোহার রড দিয়ে আঘাত করার কারণে তার ডান পা ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয় বলে জানানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে ইদ্রিস আলীর স্ত্রী ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন হিসাবে আরও টাকা পাঠান। সব মিলিয়ে ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় এক মাস ১৪ দিন আটকে রাখার পর ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল লিবিয়ার ত্রিপোলির মদিনা এলাকায় ইদ্রিস আলীকে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা। পরে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় তিনি ২০২৫ সালের ২২ জুলাই দেশে ফেরেন।

এ ঘটনায় ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পিবিআই নারায়ণগঞ্জ তদন্ত শুরু করে।

পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি উত্তম সরকার ওরফে সুমন (৪৪) এবং মর্জিনা বেগম (৩৯)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, মর্জিনা বেগম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআই বলছে, চক্রটি লিবিয়ার রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের টার্গেট করে অপহরণ ও নির্যাতনের মাধ্যমে পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায় করত বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved - 2026 Headline News BD