পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক মহিমান্বিত ঘটনা। তাঁর আবির্ভাব মানবজাতির সামনে সত্য ও আলোর নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তিনি মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাবের ২১ নম্বর আয়াতের উল্লেখ করে বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি জাতি, বর্ণ, গোত্র ও সামাজিক অবস্থানের ঊর্ধ্বে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছেন।
বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ, সংঘাত, বৈষম্য, অসহিষ্ণুতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তাঁর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি মহান আল্লাহর কাছে মহানবী (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের তাওফিক কামনা করেন এবং বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার প্রার্থনা জানান।