মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দেশে ফেরা ভুক্তভোগীদের বিবরণ অনুযায়ী, গ্রে/ফ/তা/রের পরপরই প্রবাসীদের ব্যক্তিগত সব জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়া হয় এবং তা আর ফেরত দেওয়া হয় না। মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর ধরে ব/ন্দি থাকার সময়ে গ্রে/ফ/তা/রের সময়কার সেই একটিমাত্র পোশাকই তাদের শেষ সম্বল হয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘ কারাবাস শেষে মুক্তির পর দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে এই প্রবাসীদের অত্যন্ত জরাজীর্ণ, রুগ্ন ও করুন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে।
দেশটিতে চলমান কঠোর অভিবাসন অভিযান ও নতুন নিবন্ধনের নামে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রবাসীকে হ/য়/রা/নি এবং গ্রে/ফ/তা/র করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই আটককেন্দ্রগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অতিরিক্ত ভিড়, অপর্যাপ্ত খাবার এবং চিকিৎসার অভাবে ব/ন্দি/দের মৃ/ত্যু/র ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। চরম পুষ্টিহীনতা ও চিকিৎসার অভাবে শুধুমাত্র ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সেখানে ৪৬৫ জনের মৃ/ত্যু রেকর্ড করা হয়েছে, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং অত্যন্ত অমানবিক।
বর্তমান এই কঠোর পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বা গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের ভ্রমণ ও কাজের বৈধ অনুমতিপত্র সর্বদা হালনাগাদ রাখা এবং যেকোনো অ/বৈ/ধ কাজ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো আইনি জটিলতায় পড়লে দ্রুত বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো মালয়েশিয়ায় ব/ন্দি বাংলাদেশিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দেশের পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা দাবি করেছে।