নাটোরে ৭ বছরের শিশু বায়েজিদের হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সদস্য শাকিল ও তার স্ত্রী নাসরিনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কাতারের লুসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু
শিশুটির বাবা মো. মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে নাটোর সদর থানায় মামলা করেন। মামলার পর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের বড় হরিশপুর চেয়ারম্যানপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে অভিযুক্ত দম্পতিকে আটক করা হয়।
আহত বায়েজিদ নাটোর পুলিশ লাইনস স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র। সে হরিশপুর চেয়ারম্যানপাড়া এলাকার ব্যাংকার মাহমুদুল হাসানের ছেলে।
মামলার এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মো. শাকিল (৩৮) এবং তার স্ত্রী মোসা. নাসরিন (৩২)।
এজাহারে বলা হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় বাড়িতে ভাড়াটিয়াদের নিয়ে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়। পিকনিক চলাকালে অভিযুক্ত দম্পতির মেয়ে ইবনাত (৫) ও বায়েজিদের (৭) মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।
পরে বিষয়টি উভয় পরিবারের সদস্যরা মীমাংসা করে দেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শাকিল ও তার স্ত্রী বায়েজিদকে ধরে নিয়ে বটি দিয়ে তার আঙুল কেটে দেন।
এতে শিশুটির আঙুল হাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সে গুরুতর আ/হত হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, মামলার পরপরই বৃহস্পতিবার রাতে তাদের আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।