তুরাগে সাতজনের লাশ উদ্ধারের দাবি মিথ্যা, একজনের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু নিয়ে অপপ্রচার চলছে।
ঢাকার তুরাগ নদী থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ উদ্ধারের খবরটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এ তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে একটি মহল এ অপপ্রচার চালাচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তুরাগ নদী থেকে সম্প্রতি সাতজনের নয়, সুমন আহমেদ নামে ১৭ বছর বয়সী এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি পেশায় কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তদন্তে জানা যায়, ২২ জুন বন্ধুদের সঙ্গে তুরাগ নদীতে পিকনিকে গিয়ে অসাবধানতাবশত ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি। সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, সুমনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক সমর্থনের কিছু পোস্ট থাকায় একটি চক্র দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির পর গুম ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা সত্য নয়। এ ধরনের যাচাইহীন তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি না ছড়াতে নাগরিকদের সতর্ক করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তর আরও জানিয়েছে, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই গুজব ছড়িয়ে অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে তদন্তে উঠে এলেও উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই যাচাই ছাড়া এমন তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।