1. admin@headlinenewsbd.com : Headline News BD :
কোটি টাকা লাভের প্রলোভনে ৩০ লাখ টাকা খোয়ালেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য - Headline News BD
টপ নিউজ :
টিকটক ইমোতেই সর্বনাশ হয়ে গেল ১৩ বছরের কিশোরীর… পাওনা টাকা আদায়ে করতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজের অভিযোগ চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবার জন্য খাবার নিয়ে ছুটে এলো মেয়ে কোটি টাকা লাভের প্রলোভনে ৩০ লাখ টাকা খোয়ালেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর কোনদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না’– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভুয়া তদন্ত কর্মকর্তা সেজে টাকা আদায় গ্রেপ্তার ১ ব্যক্তিগত গাড়িচালকের যোগসাজশে মালিকের স্ত্রী-পুত্রকে জিম্মি করে লুট অপরাধী পুলিশের রেহাই নেই, কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বোদায় খেলায় নামলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিচার না পাওয়ার অভিযোগে দুই সন্তান নিয়ে গাড়ির নিচে ঝাঁপ

কোটি টাকা লাভের প্রলোভনে ৩০ লাখ টাকা খোয়ালেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য

এইচএনবি রিপোর্ট
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ সময়

অভিনব প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া জমির বিক্রেতা ও ভুয়া সচিবকে ক্রেতা সাজিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই জানায়, ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন। জমি ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয়ে কথিত মধ্যস্থতাকারী সাইফুলের মাধ্যমে কথিত জমির ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়।

ভুয়া তদন্ত কর্মকর্তা সেজে টাকা আদায় গ্রেপ্তার ১

তদন্তে জানা যায়, সাইফুল ভুক্তভোগীকে জানান, তাঁর কথিত ‘স্যার’ মো. সাহাবুদ্দিন হাওলাদার খলিলুর রহমান ওরফে মিজানুর রহমান জমি কিনবেন। পরে সাইফুল জানান, সাভারের বিলামালিয়া মৌজায় ৫৮ শতক জমি রয়েছে, যা কথিত ‘সচিব স্যার’ পছন্দ করেছেন। ওই জমি বায়না করে পরে বেশি দামে বিক্রি করলে লাভ হবে বলে ভুক্তভোগীকে প্রলুব্ধ করা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাইফুল কথিত জমির মালিক জাহাঙ্গীর আলম (ছদ্মনাম)  সুমন এবং কথিত ক্রেতা ও নিজেকে ‘সচিব’ পরিচয় দেওয়া মো. সাহাবুদ্দিন হাওলাদার  খলিলুর রহমান ওরফে মিজানুর রহমানের সঙ্গে ভুক্তভোগীর যোগাযোগ করিয়ে দেন।

পিবিআইয়ের তথ্যমতে, জমির মূল্য ৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে প্রথমে ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয় এবং বায়না দলিলের ফটোকপি দেওয়া হয়। পরে কথিত ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী মূল দলিল দেওয়ার কথা বলে আরও ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়।

টাকা নেওয়ার পর অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। পরে ফারুক হোসেন ডিএমপির দারুস সালাম থানায় ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা করেন।

পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) ২৭ আগস্ট ২০২৬ মামলাটি গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) উজ্জল ঘোষের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে প্রথমে শাহাবুদ্দিন আহাম্মেদ ওরফে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ডিএমপির মিরপুর এলাকা থেকে কথিত জমির মালিক জাহাঙ্গীর আলম (ছদ্মনাম) সুমন (৩৯) এবং একই দিনে শাহআলী এলাকা থেকে কথিত জমির দালাল সাইফুল ইসলাম (ছদ্মনাম)  জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved - 2026 Headline News BD