মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তিনি নিজের অবস্থান থেকে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছেন এবং সেই স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন।
শনিবার (২৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সরকারকে তাদের স্বার্থ দেখার দায়িত্ব দিয়েছে; তাই দেশের স্বার্থই ছিল এই সফরের মূল ভিত্তি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরে যদি কোনো ভালো অর্জন হয়ে থাকে, তা কোনো ব্যক্তির নয়, বাংলাদেশের অর্জন। দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় সংসদ সদস্যদের উৎসাহ ও সমর্থনের জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ উল্লেখ করে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হয়। আলোচনায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করেছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সফরের ভিত্তি ছিল পারস্পরিক মর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে সরকারের পাশে থাকার কথা জানান এবং গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সংসদে আনার আহ্বান জানান। নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফরে ২১ জুন মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি চীন সফর করেন। সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা ও দুটি দলিল বিনিময় করে বাংলাদেশ।