হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রসুলপুর গ্রামে মাদক মামলায় মা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর তিন শিশুর দেখাশোনা নিয়ে বিপাকে পড়েছে একটি পরিবার। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, মাকে কাছে না পেয়ে শিশুরা প্রায়ই কান্নাকাটি করছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, গত ২৭ তারিখ র্যাবের একটি দল রসুলপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের পর বাবুল মিয়ার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে কালুখালী ইউএনও অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বদলি
তবে বাবুল মিয়া দাবি করেছেন, পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁর বাড়িতে মাদক রেখে পরিবারকে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ির কাজের লোককে ৩০ হাজার টাকার প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে মাদক রাখতে বলেন। পরে র্যাব অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে। বাড়ির কাজের লোক কুন্ডল মুন্ডাও দাবি করেছেন, তাঁকে ৩০ হাজার টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বাবুল মিয়ার বাড়িতে মাদক রাখতে বলা হয়েছিল। তবে কারা তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং তাঁর দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মামলায় বাবুল মিয়ার স্ত্রী বর্তমানে কারাগারে থাকায় তিন শিশুর দেখাশোনার দায়িত্ব পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপর পড়েছে। স্বজনদের দাবি, মায়ের অনুপস্থিতি শিশুদের ওপর প্রভাব ফেলছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও পরিবার উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে বাড়িতে মাদক রাখার বিষয়ে বাবুল মিয়া ও কুন্ডল মুন্ডার অভিযোগের বিষয়ে র্যাব বা মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে পরিবারকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর যে দাবি করা হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সত্যতা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।