আজারবাইজানে ৬৩ বছর বয়সী এক নারীর বিয়ের দীর্ঘ ৩৮ বছর পর প্রথম সন্তানের জন্ম দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক প্রজনন চিকিৎসার সহায়তায় তিনি গর্ভধারণ করেন এবং ২০২৬ সালের জুনের শেষ দিকে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, ওই নারী ও তাঁর স্বামী বিয়ের পর থেকে দীর্ঘ ৩৮ বছর সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন। বয়স বাড়লেও তাঁরা বাবা-মা হওয়ার আশা ছাড়েননি। একপর্যায়ে চিকিৎসক ও গাইনোকোলজিস্ট ড. নাতিক মাহাররামভের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা গ্রহণ করেন ওই নারী।
শূন্য হাতে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে কি ঘটেছিল গোবিন্দর সঙ্গে?
প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, চিকিৎসায় অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি বা সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসার পর তিনি গর্ভধারণ করেন। পরে জুনের শেষ দিকে তাঁর পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম দিকে যমজ সন্তান কিংবা কন্যাসন্তানের জন্মের কথাও ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরবর্তী বিবরণে একটি পুত্রসন্তানের জন্মের কথা জানানো হয়েছে।
চিকিৎসক ড. নাতিক মাহাররামভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিকিৎসার সাফল্যের কথা প্রকাশ করার পর ঘটনাটি দ্রুত আলোচনায় আসে। ৬৩ বছর বয়সে সন্তান জন্মদানের বিষয়টি বিরল হওয়ায় এ ঘটনা বিশেষভাবে নজর কাড়ে।
প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, দম্পতি দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। তাঁদের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে আধুনিক প্রজনন চিকিৎসার মাধ্যমে। চিকিৎসক নাতিক মাহাররামভের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে পুত্রসন্তানের জন্ম দেওয়ার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।