ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট বড়বাড়ি এলাকায় দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর মিম (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের ঝোপঝাড় থেকে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে শনাক্ত করেন।
নিহত মিম বিদ্যাকুট বড়বাড়ি এলাকার মিজান মিয়ার মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে মিমের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার সন্ধান পাননি।
বাসায় ভাইকে খুঁজতে এসে বোনকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু
এরপর সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের ঝোপঝাড়ে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেন।
তবে দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির এত কাছের স্থানে কীভাবে শিশুটির মরদেহ পাওয়া গেল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। শিশুটির মৃত্যু স্বাভাবিক, দুর্ঘটনাজনিত নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল কি না, মৃত্যুর সময় ও কারণ কী ছিল—এসব বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে নিশ্চিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সাত বছরের শিশুর এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে বিদ্যাকুট বড়বাড়ি এলাকায় শোক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।