হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার সাতকাহন ইউনিয়নের শংকরপুর (ইছবপুর) গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার পুত্র তুহিন মিয়া (১৮) নামে এক সিএনজি অটোরিকশা চালকের লাশ নবীগঞ্জের গজনাইপুর ইউনিয়নের সাতাইহাল গাজীর মোকামের সন্নিকট ও সাতাইহাল টু কাগাবালা সড়কের একটি নির্জন জঙ্গলের বাঁশ ঝাড়ের ঝোপ থেকে উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। নিখোঁজের দুদিন পর বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল অনুমান সাড়ে ১১টায় খবর পেয়ে এসআই শওকত আলী একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেন। লাশের পেছনে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের অনেক ক্ষত চিহ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি। পরে লাশ হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়। লাশের খবর পেয়ে এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ লাশটি দেখতে সেখানে ভিড় জমান।
গাছ কাটার ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করে খুনের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১২
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর রাত অনুমান ১০টার পর থেকে সিএনজি অটোরিকশা নং হবিগঞ্জ থ-১১-৪৩৪০ সহ চালক নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান না পাওয়ায় বাহুবল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বুধবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে নবীগঞ্জের ফুলতলী বাজার এলাকার সাতাইহাল গ্রামের নির্জন স্থানে এক মহিলা প্রথমে লাশটি পড়ে থাকতে দেখলে হাউমাউ শুরু করেন, এরপর স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং বিষয়টি নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে জানান।
পরে নিহতের স্বজনেরা সরেজমিনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি তুহিনের বলে শনাক্ত করেন। নবীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে। নিহতের পরিবারের লোকজনের দাবি, তুহিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সিএনজি অটোরিকশাটি নিয়ে গেছে খুনিরা। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের আত্মীয়-স্বজনেরা। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।