জামালপুরের মাদারগঞ্জ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার সীমান্তবর্তী যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে সরকারি খাস জমির কাশবনের প্রাকৃতিক তৃণভূমি দখল করে বাথানমালিক ও রাখালদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে কয়েকটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। খামারিদের দাবি, প্রতি বছর মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ী, সারিয়াকান্দি ও কাজীপুরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ২০ থেকে ৩০ হাজার গরু-মহিষ চরানো হয় এবং এ সময় বিঘাপ্রতি এক হাজার থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা অথবা মহিষপ্রতি মাসে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে।
নেত্রকোনার পাহাড়ি জনপদে শুষ্ক মৌসুমে পানি নেই, বর্ষায় দূষণ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গরু-মহিষ লুট, চুরি, রাখালদের মারধর ও অপহরণের মতো ঘটনা ঘটছে। এমনকি চরের ঘাসে বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে, যাতে কয়েকটি মহিষ মারা গেছে এবং কিছু পশু অসুস্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারিরা। স্থানীয় সূত্রে গিয়াস ও হায়দার খানের নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেটের নাম উঠে এসেছে। তারা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে, তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী এবং সারিয়াকান্দির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানিয়েছেন, চরাঞ্চলের পরিস্থিতি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।