বরিশালের উত্তর সাগরদি এলাকার ১৭ বছর বয়সী জুবায়ের মৃধা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছে। প্রায় দেড় বছর আগে একটি ইজিবাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তার পায়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে। জীবন রক্ষায় হাঁটুর ওপর থেকে একটি পা কেটে ফেলতে হয়। এরপরও তার চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘদিনের ব্যয়বহুল চিকিৎসায় ইলেকট্রিশিয়ান বাবার সামান্য আয় শেষ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।
চোখে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল বন্ধ
এই কঠিন সময়ে জুবায়েরের পাশে দাঁড়িয়েছেন তার সৎ মা জরিনা আক্তার। চিকিৎসকের কাছে নেওয়া, হাসপাতালে ছুটে যাওয়া থেকে শুরু করে প্রতিদিনের দেখভালের দায়িত্বও তিনি নিজের কাঁধে নিয়েছেন। জরিনা জানান, তিনি কখনো জুবায়েরকে সৎ সন্তান হিসেবে দেখেননি। তাঁর আকুতি, মা-হারা ছেলেটি অন্তত এক পা নিয়ে হলেও যেন বেঁচে থাকতে পারে। সেই আশায় ছেলের চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে তিনি এখন সমাজের বিত্তবান ও সাধারণ মানুষের কাছে সহায়তা চাইছেন।
জুবায়েরের চিকিৎসার খরচ বহন করা পরিবারের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জরিনার মাতৃত্ব ও মানবিকতার প্রশংসা করছেন অনেকেই। একই সঙ্গে বিভিন্ন মানবিক সংগঠন ও সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের জুবায়েরের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।