1. admin@headlinenewsbd.com : Headline News BD :
সার আছে, তবু কৃষকের হাতে পৌঁছায় না কেন? - Headline News BD
টপ নিউজ :
সন্তান না হওয়ায় তালাক, পা ধরেও স্বামীর মন গলাতে পারেননি স্ত্রী স্ত্রী, মেয়ে, শ্যালিকা ও ভাগ্নিকে দিয়ে ভিডিও বানিয়ে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ ৬৩ বছর বয়সে প্রথম সন্তানের জন্ম দিলেন আজারবাইজানের নারী শূন্য হাতে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে কি ঘটেছিল গোবিন্দর সঙ্গে? শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গোপালগঞ্জে ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি খুলনা থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর শুভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ পরীমণির বিরুদ্ধে ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে গিয়েছিলেন, ফিরেই কী ঘটল এসআইয়ের সঙ্গে? হঠাৎ কেন ইসরায়েলের অর্থসহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের? ‘সরি’ বলেও কাজ না হলে আর যা করতে পারেন আপনি

সার আছে, তবু কৃষকের হাতে পৌঁছায় না কেন?

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৬ সময়

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে রোপা আমনের ভরা মৌসুমে সার নিয়ে কৃষকদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজারে রোববার এক ডিলারের গুদামের বেড়া ভেঙে কৃষকেরা ২২৫ বস্তা সার নিয়ে যান। প্রশাসনের আশ্বাসের পর সোমবার বিকেল পর্যন্ত ১১৫ বস্তা ফেরত পাওয়া গেছে। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

কৃষকদের অভিযোগ, প্রয়োজনের সময় ডিলার পয়েন্টে সার মিলছে না। কোনো কোনো বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত খোলা না থাকায় দিনের পর দিন ঘুরেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে খোলা বাজার থেকে সার কিনছেন অনেকে।

সংকটের বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে শিলখুড়ির চাহিদা ও বরাদ্দের ব্যবধান নিয়ে। ইউনিয়নটিতে চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কৃষি বিভাগের নির্ধারিত মাত্রা ধরে চার ধরনের সার প্রয়োজন প্রায় ১ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন। বিপরীতে বরাদ্দ ১১৯ দশমিক ৯ মেট্রিক টন, যা হিসাব অনুযায়ী চাহিদার প্রায় ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ।

ইউরিয়ার ক্ষেত্রেও একই চিত্র। হিসাব অনুযায়ী প্রয়োজন প্রায় ৪৩৮ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন, অথচ সরবরাহ হয়েছে ৬৮ মেট্রিক টন। কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, আগে ডিলারদের সমানভাবে বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম থাকায় শিলখুড়িতে প্রয়োজনের তুলনায় কম সার পৌঁছেছে। অন্য ইউনিয়ন থেকে সার সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কৃষকদের আরেকটি অভিযোগ, কয়েকজন ডিলারের মূল গুদাম সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাইরে। বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত না খোলায় সার নিতে একসঙ্গে কয়েক শ কৃষক জড়ো হচ্ছেন। এতে সীমিত মজুতের বিপরীতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে।

বিসিআইসি ডিলারের কাছ থেকে সার নিয়ে বিএডিসি ডিলারের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগও উঠেছে। কৃষি বিভাগের উপপরিচালক জানিয়েছেন, এভাবে বিসিআইসি ডিলারের বরাদ্দ থেকে সার কেটে বিএডিসি ডিলারের কেন্দ্রে দেওয়ার সুযোগ নেই। এমনটি হয়ে থাকলে তদন্ত করা হবে।

সার বিতরণ ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগও সামনে এসেছে। এক পক্ষ কৃষকদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগ তুললেও অন্য পক্ষ তা অস্বীকার করেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিম জানিয়েছেন, ডিলারের করা জিডির পর সোমবার বিকেল চারটা পর্যন্ত ১১৫ বস্তা সার পাওয়া গেছে এবং বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেবনাথ জানিয়েছেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved - 2026 Headline News BD