কাক শুধু পরিচিত মুখ চিনতেই পারে না, মানুষের আচরণও মনে রাখতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো ব্যক্তি কাকের ক্ষতি করলে তার মুখ দীর্ঘদিন মনে রাখতে পারে পাখিটি। পরে একই ব্যক্তিকে দেখলে কাক সতর্ক হয়ে ওঠে এবং তাকে তাড়াতে দলবদ্ধভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্যপ্রাণী বিজ্ঞানী জন মারজলুফের গবেষণায় কাকের এই অসাধারণ স্মৃতিশক্তির বিষয়টি উঠে আসে। আক্রান্ত কাক অন্য কাকদেরও সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সংকেত দিতে পারে। ফলে সরাসরি ঘটনার শিকার না হওয়া কাকও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বিপজ্জনক হিসেবে চিনে নিতে পারে।
গবেষকদের মতে, এ ধরনের আচরণ মূলত আত্মরক্ষার কৌশল। তবে ‘তিন পুরুষ ধরে ১৭ বছর রাগ পুষে রাখা’ কথাটি সরলীকৃতভাবে প্রচারিত হলেও গবেষণার মূল বিষয় হলো কাকের দীর্ঘস্থায়ী মুখ-চেনার স্মৃতি ও সামাজিকভাবে বিপদের তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা।