নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়াজ মাহফিলের বক্তা মাওলানা হামিদুল হক আরাফাতের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতন, অর্থ দাবি এবং দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার প্রথম স্ত্রী শারমিন আক্তার। বুধবার (২৯ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সুবর্ণচর উপজেলার চর রশিদ গ্রামের বাসিন্দা শারমিনের সঙ্গে কয়েক বছর আগে হামিদুলের বিয়ে হয় এবং প্রথম সাত বছর তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটে, এই সময়ে তাদের সংসারে এক কন্যা ও এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। শারমিন অভিযোগ করেন, বিয়ের কিছুদিন পর স্বামী শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য নগদ এক লাখ টাকা আদায় করেন এবং পরবর্তীতেও ধাপে ধাপে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শারমিন আরও অভিযোগ করেন, সামান্য বিষয় নিয়েও তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যা/তন করা হতো এবং তার বাবা-মায়ের কাছে কখনও পাঁচ লাখ, কখনও দশ লাখ টাকা দাবি করা হতো, রাজি না হলে বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং শেষে দ্বিতীয় বিয়ের হুমকি দেওয়া হয়। তার দাবি অনুযায়ী, ২০২৩ সালে স্বামীর সঙ্গে কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শিমু আক্তারের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে পর/কীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যার পর থেকেই সংসারে অশান্তি শুরু হয় ও স্বামীর আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন আসে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় শারমিন আক্তার বাদী হয়ে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান তিনি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাওলানা হামিদুল হক আরাফাতের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।







