কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার একটি ছাত্রাবাসে (মেস) এক নারীকে আটকে রেখে ধ/র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা রাফিউজ্জামান রবিন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ জুলাই) কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রঞ্জিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্বামী পরিত্যক্তা ও এক সন্তানের জননী ভুক্তভোগী নারীকে গত ১৬ জুলাই কৌশলে আড়ুয়াপাড়া ১ নম্বর মডেল মসজিদ ও ২ নম্বর স্কুলের পাশে একটি বহুতল ভবনের নিচতলার মেসে এনে আটকে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, রবিন তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ডেকে নিয়ে চার দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও ধ/র্ষণ করে এবং তার ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলে। সোমবার সকালে সুযোগ বুঝে ওই নারী মেস থেকে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে এলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন, পরে পুলিশ তাকে হাসপাতালে পাঠায়। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ইকবাল হোসেন জানান, সোমবার দুপুর দুইটার দিকে ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা চলছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মামলা দায়ের করা হয়নি, তবে অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।







