নরসিংদীর পলাশে প্রবাসীর স্ত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় প্রতিবেশী ভাতিজা অপূর্ব দাসকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নরসিংদী জেলা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর পলাশ থানার পণ্ডিতপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলায় ভুক্তভোগীর সাবেক স্বামী হরিদাসকেও (৩৬) আসামি করা হয়েছে।
পিবিআই জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন নথি বিশ্লেষণ করে মামলার ১ নম্বর আসামি অপূর্ব দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি নিজেকে জড়িয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে দুবাই প্রবাসী হরিদাসের সঙ্গে তিথি রানী দাসের বিয়ে হয়। তাদের কোনো সন্তান ছিল না। স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার খবর পেয়ে হরিদাস ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দেশে আসেন। ১৯ সেপ্টেম্বর আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর পর গর্ভের সন্তানের বয়স আট সপ্তাহ বলে জানতে পারেন।
পিবিআইয়ের তদন্তে জানা গেছে, হরিদাস দুবাইয়ে অবস্থান করার সময় প্রতিবেশী অপূর্ব দাস তিথি রানী দাসকে বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করতেন। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি হয় এবং একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্ত্রীর গর্ভধারণের বিষয়টি জানার পর হরিদাস দেশে এসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করান। পরে তিনি আবার বিদেশে চলে যান। ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল তিথি রানী দাস সন্তান জন্ম দেন।
এরপর হরিদাস ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট দেশে এসে তিথি রানী দাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠান। পরে তিথি রানী দাস আদালতে অভিযোগ করেন। আদালতের নির্দেশে পলাশ থানায় মামলা করা হয়। মামলায় অপূর্ব দাসকে ১ নম্বর এবং সাবেক স্বামী হরিদাসকে ২ নম্বর আসামি করা হয়।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর পিবিআই স্ব-উদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে পিবিআইয়ের এসআই (নিঃ) মো. আমিনুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করছেন।
কিশোরীকে কমলালেবু খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে বড়ই বাগানে নিয়ে…
পিবিআই জানিয়েছে, মামলায় প্রত্যেক আসামির দায়-দায়িত্ব নিরূপণের কার্যক্রম চলছে। তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।