হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পেইং বেড ও কেবিন থেকে সম্ভাব্য কোটি টাকার রাজস্বের হিসাব থাকলেও সরকারি কোষাগারে জমা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে পেইং বেড ও কেবিন থেকে সম্ভাব্য বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায় হলেও সরকারি কোষাগারে জমার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালটিতে ২৩টি পেইং বেড, ৬টি সাধারণ কেবিন ও ২৩টি এসি কেবিন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সবগুলো নিয়মিত ব্যবহৃত হলে দৈনিক প্রায় ৩১ হাজার টাকা এবং বছরে প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সম্ভাব্য আয়ের সঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দেখানো অর্থের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। এ কারণে পেইং বেড ও কেবিনের ব্যবহার, রোগী ভর্তি তালিকা, মানি রিসিট, ক্যাশবুক ও ব্যাংক হিসাবসহ পুরো ব্যবস্থাপনার নিরপেক্ষ অডিটের দাবি উঠেছে।
এদিকে হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় অনেক রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগী ও স্বজনরা। তাদের দাবি, কেবিন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে আবাসিক মেডিকেল অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।