1. admin@headlinenewsbd.com : Headline News BD :
মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ,

মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ, বড় ছেলে গ্রেপ্তার

সারাদেশ
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
  • ৩৭ সময়
মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ, বড় ছেলে গ্রেপ্তার
ছবি : সংগৃহীত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিজের মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগে বড় ছেলে মাজহারুল আনোয়ার জুয়েলকে গ্রে/প্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ঘরের ভেতর থেকেই মা মারুফা বেগমের ম/রদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রে/প্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রে/প্তার জুয়েল উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ময়দানপাড়া এলাকার মৃত আশরাফ উদ্দিনের বড় ছেলে। নিহত মারুফা বেগম একই বাড়িতে বড় ছেলে জুয়েলের সঙ্গে থাকতেন। তার ছোট ছেলে লাভিন মিয়া ঢাকায় চাকরি করেন। মায়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে ছোট ছেলের সন্দেহ, ঘরের ভেতরে র/ক্তের দাগ এবং মেঝের অস্বাভাবিক ফাটল শেষ পর্যন্ত লোমহর্ষক ঘটনার সূত্র বের করে আনে।

স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ছোট ছেলে লাভিন মিয়া গত ২ জুন ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে মাকে খুঁজতে শুরু করেন। বাড়িতে, আশপাশে ও পরিচিত বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও মায়ের কোনো সন্ধান পাননি তিনি। এরই মধ্যে ৪ জুন সকালে লাভিন মিয়ার স্ত্রী নিজের ঘরের বিছানা গোছাতে গিয়ে তোশকের নিচে র/ক্তের দাগ দেখতে পান। একই সঙ্গে ঘরের মেঝেতে ফাটলও তার নজরে আসে। বিষয়টি লাভিন মিয়াকে জানানো হলে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। পরে তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিছানার তোশকের নিচে র/ক্ত এবং ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পায়। রাতেই ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মেঝে খোঁড়া হলে সেখান থেকে মারুফা বেগমের ম/রদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘরের ভেতরে মেঝের নিচে ম/রদেহ লুকিয়ে রাখার এই ঘটনা পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিহতের ছোট ছেলে লাভিন মিয়ার অভিযোগ, তার বড় ভাই জুয়েলই তাদের মাকে হ/ত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি থানায় মা/মলা করেন। ঘটনার পর থেকে জুয়েলকে ধরতে পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং পরে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রে/প্তার করে। তবে কী কারণে এই হ/ত্যাকাণ্ড ঘটেছে, পারিবারিক বিরোধ, সম্পত্তি, অর্থনৈতিক সংকট নাকি অন্য কোনো কারণ এর পেছনে রয়েছে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি পুলিশ। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, মাকে হ/ত্যা করে পুঁতে রাখার অভিযোগে দায়ের করা মা/মলায় জুয়েলকে গ্রে/প্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে তার জবানবন্দি নেওয়ার কথা রয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, জবানবন্দি, আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও পারিবারিক তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved - 2026 Headline News BD